যেভাবে নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদলাবেন

0 3

আজ সোমবার থেকে বাংলাদেশে চালু হয়েছে মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) অর্থ্যাত মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তনের সুবিধা। এর ফলে কোন মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক চাইলে অন্য অপারেটরে মাইগ্রেট করতে পারবেন নম্বর পরিবর্তন না করেই।

তবে এই সুবিধা নিতে হলে অনুসরণ করতে হবে কিছু নির্দিষ্ট ধাপ। সেগুলোই থাকছে এবারের প্রতিবেদনে।

যেহেতু গ্রাহক একটি অপারেটর থেকে আরেকটি অপারেটরে যাবেন তাই তিনি যে অপারেটরে যেতে ইচ্ছুক সেটি থেকে নতুন সিম সংগ্রহ করতে হবে। এর সাথে আরও যা যা করতে হবে…

১) প্রথম গ্রাহক যে অপারেটরে মাইগ্রেট হতে চান সেই অপারেটরের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যেতে হবে। এসময় আগের অপারেটরে ব্যবহৃত সিম সাথে রাখতে হবে।

২) এসময় কাংখিত অপারেটর আগের অপারেটরের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করে নতুন অপারেটরের জন্য আবেদন করবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে অনলাইন ভিত্তিক।

৩) পুরনো অপারেটর ছাড়পত্র দিলে নম্বর পোর্টেবিলিটি ক্লিয়ারিং হাউজ নম্বরের নতুন পোর্টিং করে দেন।

৪) এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহককে তার জাতীয় পরিচয় পত্র এবং নতুন সাথে রাখার দরকার নেই। আঙ্গুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যাবে। তবে অপারেটর থেকে গ্রাহকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তারা যেন জাতীয় পরিচয় পত্র বা তার অনুলিপি সাথে রাখেন।

৫) নতুন সিম পেতে আর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১০ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে। তবে নতুন সিম সক্রিয় হতে কমপক্ষে ১ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ৭২ ঘন্টা সময় প্রয়োজন হতে পারে।

৬) পোস্টপেইডের গ্রাহক নতুন অপারেটরে প্রি-পেইড বা প্রি-পেইডের গ্রাহক নতুন অপারেটরে পোস্টপেইডে যেতে পারবেন না।

৭) আর পোস্টপেইডের গ্রাহকের কাছে পুরনো অপারেটরে যদি কোন বিল বকেয়া থাকে তবে তা পরিশোধ না করলে অপারেটর পরিবর্তন করা যাবে না।

৮) পুরনো অপারেটরে থাকা মোবাইল ব্যালেন্স এবং ইন্টারনেট ডাটা নতুন অপারেটরের সিমের সাথে যোগ হবে না। তাই পুরনো সিমের ব্যালেন্স ও ডাটা শেষ করে তবেই নতুন অপারেটরে যাওয়া হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তবে পুরনো অপারেটরের সিমে যদি ব্যালেন্স থেকেই যায় তা দুই বছর পর্যন্ত ঐ সিমে রাখার নিয়ম করছে বিটিআরসি। যদি গ্রাহক দুই বছরের মধ্যে আগের অপারেটরে ফিরে যান তাহলে সেই ব্যালেন্স পাবেন। আর ফিরে না গেলে ঐ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।

৯) একবার অপারেটর পরিবর্তন করার ৯০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার অপারেটর পরিবর্তন করা যাবে না।

 

ফি বা চার্জঃ

অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে গ্রাহককে খরচ করতে হবে ১৫৮। সিম পরিবর্তনের ফি, কর এবং ভ্যাট হিসেবে গুণতে হবে এই অর্থ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের ৭২টি দেশে এমএনপি সেবা চালু আছে।