ফিরেছে পেট্রোল, গ্রেনেডও কি ফিরবে?

0 4
নিউজ ডেস্কঃ পেট্রোল বোমা। নামটি শুনলেই কেমন বারুদপোড়া অনুভূতি হয়৷ পেট্রোলে চলে গাড়ির চাকা, আবার সেই পেট্রোলের তৈরি বোমাতেই নিভে যায় জীবন প্রদীপ।

 

এ কথার মর্মার্থ বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ বেশ ভালোভাবেই জানেন৷ ২০১৪ সালে দেশদ্রোহী বিএনপি-জামায়াত জোটের সেই বিধ্বংসী আন্দোলনের কথা মনে পড়লে জনগণ এখনও শিউরে ওঠে৷

 

বাসের যাত্রী কিংবা চালক, ট্রাক ড্রাইভার কিংবা সহকারী, পথচারী অথবা মেকানিক-কেউ বাদ যায়নি ইতিহাসের কলংকজনক এই আক্রমণ থেকে।

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের হোতা, পাকি দোসর জামায়াতকে সাথে নিয়ে, খুনী,রক্তপিপাসু বিএনপি দেশব্যাপী শুরু করে পোড়া লাশের এক ভয়াবহতম মহোৎসব।

 

হাসপাতালের বেড, মেঝে, করিডোরে পুড়ে যাওয়া মানুষের আর্তচিৎকারে চরম পাষাণের চোখ বেয়েও ঝরেছে অশ্রু।
পুড়ে যাওয়া মুখ দেখে মা’কে সন্তানের চিনতে না পারা, ক্ষতবিক্ষত সন্তানের পোড়া দেহ মায়ের ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখা কিংবা পুড়ে ছাই হতে থাকা দেহ থেকে ‘মা, মা’ বলে আর্তচিৎকার কি গুলশানে খালেদার ফিরোজা মহলে পৌঁছেছিলো? লন্ডনে তারেক কি প্রতিদিনই ডিনার করতে করতে পোড়া লাশের হিসেব মেলাতেন পরম আত্মতৃপ্তিতে!

 

খালেদার লোভের আগুনে পুড়তে থাকা মানুষগুলোকে দেখতে ছুটে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা৷ কেঁদেছিলেন অঝোরে। তাঁর সেই কান্নার সাথে মা হারা সন্তান কিংবা সন্তানহারা মায়ের কান্না একাকার হয়ে মিশেছিলো দুঃখী পদ্মা-মেঘনায়। তখন তারেকের অট্টহাসি কি মুঠোফোনে টেমস নদী পার হয়ে গুলশানের ফিরোজা মহলে পৌঁছায়নি?

 

দেশদ্রোহী সকল কর্মকাণ্ডে লক্ষ্য হাসিল করতে না পেরে, বিএনপি আজ ভর করেছে শ্রমিকদের উপর। বিএনপির সেই গ্রেনেড বোমার যুগ আজও ভোলেনি দেশবাসী৷

 

নিরীহ শ্রমিকদের হাতে তারা আজ তুলে দিয়েছে পেট্রোল। জনমনে আবারো ফিরে এসেছে আতংক৷ তাদের একটাই প্রশ্ন, আবারও কি মরণকামড় দিতে চায় খালেদা-তারেক গং? এই কি তাহলে কামাল-রব গংয়ের আন্দোলন? আর কত রক্তের হোলিখেলা, আর কত লাশ প্রয়োজন তাদের? পূণ্যভূমি বাংলাদেশকে মৃত্যু উপত্যকা করে তোলাই কি ওদের লক্ষ্য?

 

এই ঘৃণ্য অপশক্তির হাত থেকে মুক্তি চায় বাংলাদেশ…