মুন্সীগঞ্জ-১ঃ বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি মমিন আলীকে

0 532

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) আসনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকায় এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচনায় আছেন শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মমিন আলী। সংসদীয় আসন-১৭১’র বিএনপির এই প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। প্রায় প্রতিদিনই থাকছেন এলাকায়। আর্থিক সহায়তাসহ নানাভাবে সহযোগিতা করছেন গরীব-দুঃখীসহ দলীয় নেতাকর্মীদের।

 

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি মমিন আলীর ডাকে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নানা কর্মসূচিগুলোতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত হচ্ছেন। সভা-সমাবেশগুলো শতশত নেতাকর্মীর উপস্থিতি মিলছে। বিভিন্ন সভাগুলোতে বিএনপি থেকে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মমিন আলীকে মনোনয়ন দেয়ার করে আসছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

 

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির একাংশের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা জানান, আলহাজ মমিন আলী একজন কর্মী বান্ধব নেতা। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করে চলেছেন। তিনি এক সময় শ্রীনগর উপজেলার কোলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার চেয়ারম্যান,পরবর্তীতে একই ইউনিয়নে তার ছেলে তৈয়ব আহমেদ মামুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে ইউনিয়নবাসী তাকে বার বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। মমিন আলী ২০০৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে কোন রকম সম্মেলন ছাড়া এবং তৃণমূলের মতামত না নিয়ে একটি পকেট কমিটি করা হলেও মমিন আলীর কমিটিকে বাতিল করা হয়নি বা বাতিলের কোন চিঠি দেয়া হয়নি।

 

২০০৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলহাজ মমিন আলী বিএনপি টিকিটে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। অধ্যাপক বদরুদ্দোজ্জা চৌধুরীকে বিএনপি থেকে বিতাড়িত করার পর শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির হাল ধরে রেখেছেন শক্তভাবে। বিএনপিকে পুনরুজ্জীবিত রাখতে গত উপজেলা নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। এই নির্বাচনে জেলায় ছয়টি উপজেলার মধ্যে একমাত্র তিনিই জয়ের মুখ দেখেন। প্রায় সাড়ে ২৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে তিনি শ্রীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

 

এই নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি নেতা সেলিম হোসেন খান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জাহানারা বেগমকেও তিনি জয়ের মুখ দেখান। তাদের নিয়ে তিনি একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনটি পদেই জয়লাভ পান। তিনি এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাটসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ এবং আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন।

 

মোজাম্মেল হোসেন সজল, মুন্সীগঞ্জ।