ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সর্বনিম্ন গতি দ্বিগুণ হচ্ছে

নূন্যতম ১০ এমবিপিএস

0 8

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সর্বনিম্ন গতি দ্বিগুণ হচ্ছে। বর্তমানের সর্বনিম্ন ৫ এমবিপিএস গতি থাকলেও তা সবখানে সমানভাবে মিলছে না। আর তাই ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞা নির্ধারণের এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন গতি ১২৮ কেবিপিএস থেকে বাড়িয়ে ১০ এমবিপিএস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এ হিসেবে ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে নূন্যতম ১০ এমবিপিএস গতি না হলে সেটি ব্রডব্যান্ড বলে চিহ্নিত হবে না।

খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্র। গণভবনে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে ২০১৬ সালের শুরুর দিকে সরকার ব্রডব্যান্ডের ন্যূনতম গতি বাড়িয়ে ৫ এমবিপিএস নির্ধারণ করে। তবে এখনও খুব কম জায়গাতেই ব্রডব্যান্ড হিসেবে সর্বনিম্ন এ গতিতে ইন্টারনেট সরবরাহ করা হচ্ছে।

২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো ব্রডব্যান্ড হতে হলে ইন্টারনেটের গতি ১২৮ কেবিপিএস ঠিক করে দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে করা হয় ২৫৬ কেবিপিএস এবং পরে তা আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে ৫১২ কেবিপিএস করা হয়। ২০১৩ সালে এ গতি নির্ধারণ করা হয় ১ এমবিপিএস।

তবে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা জানান, এখনও তারা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন বা অন্য জায়গায় ইন্টারনেট গ্রাহকের তথ্য হিসাবের ক্ষেত্রে ৫১২ কেবিপিএস গতিকে ভিত্তি করে ধরে ব্রডব্যান্ড সংযোগ হিসেব করেন। কেননা সর্বনিম্ন গতির পরিমাপে যদি গ্রাহকের তথ্য প্রদান করা হয় তাহলে আন্তর্জাতিক রেটিংয়ে দেশ অনেক পিছিয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্টরা সর্বনিম্ন গতির বিবেচনা অনুযায়ী ব্রডব্যান্ডের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনাকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তারা এ গতি নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি আহবান জানিয়েছেন।